বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক সংলাপ
ঢাকা: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। গত কাল বঙ্গ ভবনে বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করানোর মাধ্যমে তিনি দেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় রচনা করলেন।
ডেপুটি স্পিকার থেকে স্পিকারের গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করার পর এমন ঐতিহাসিক মুহূর্তের সঞ্চালক হতে পেরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এই ঐতিহাসিক অর্জনে দেশজুড়ে এবং সর্বস্তরের জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। বিশেষ করে তাঁর জন্মভূমি বৃহত্তর ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীরা প্রিয় নেতাকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভকামনায় ভাসিয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে দেশের মূলধারার রাজনৈতিক দল—বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর গ্রহণীয়তা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তির অনন্য স্বাক্ষর বহন করে।
রাজনীতি ও আইন অঙ্গনে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল:
প্রজ্ঞাবান আইনজ্ঞ: আইন পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সংবিধানের ওপর গভীর দখলের কারণে তিনি আইনি ও প্রশাসনিক অঙ্গনে বরাবরই প্রশংসিত।
দক্ষ সংসদীয় অভিভাবক: ডেপুটি স্পিকার হিসেবে তাঁর নিষ্ঠা ও কৌশলী ভূমিকার ধারাবাহিকতায় স্পিকার পদে তাঁর এ দায়িত্ব গ্রহণ দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও সুসংহত করবে।
সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিত্ব: ভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক দলগুলোর নিকট থেকে পাওয়া ভালোবাসা ও সমর্থন প্রমাণ করে যে তিনি একজন দূরদর্শী, সহনশীল ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
তৃণমূলের সাথে নিবিড় বন্ধন: জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েও ময়মনসিংহসহ দেশের প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও উন্নয়নে তিনি সর্বদা সোচ্চার।
জাতীয় সংসদের অভিভাবক হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের এই অর্জন ও দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও সংসদীয় ধারায় এক স্মরणीय ও ইতিবাচক মাইলফলক হয়ে থাকবে।
রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করিয়ে ইতিহাস গড়লেন স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
Date:



